Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ইউক্রেন-রাশিয়ার চলমান যুদ্ধের মধ্যে বৈশ্বিক প্রযুক্তি শিল্পে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ভালো যোগসূত্র রয়েছে। এদের মধ্যে অনেকের উল্লেখযোগ্য বাজার শেয়ার এবং মার্কিন করপোরেশনগুলোর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে।ইউক্রেনে পুরোদমে সংঘাত সৃষ্টি নিয়ে রাশিয়ার উদ্ভূত অথবা রাশিয়ার নাগরিকদের তৈরি সফটওয়্যার ব্যবহারকারী কোম্পানিগুলো উদ্বেগে রয়েছে।

রাশিয়ার অন্যতম প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারেস্কি ল্যাব। কোম্পানিটি যুক্তরাজ্যের একটি হোল্ডিং কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত ক্যাসপারেস্কি অ্যান্টিভাইরাস/অ্যান্টিম্যালওয়্যার সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে। এর আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থাকলেও রাশিয়ায় যথেষ্ট গবেষণা ও উন্নয়ন সক্ষমতা রয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা ইগুনে ক্যাসপারেস্কির সঙ্গে পুতিন নিয়ন্ত্রিত সরকারের ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র রয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ক্যাসপারেস্কির সফটওয়্যার ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার একজন কর্মীর নিরাপত্তা চুক্তির সঙ্গে আপস করেছিল। যদিও ক্যাসপারেস্কি ল্যাব জানিয়েছে এসব প্রমাণ সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ভার্চুয়াল প্রযুক্তির ওপর ব্যাপকভাবে ফোকাস করে এমন প্রতিষ্ঠান প্যারালাল ইনকরপোরেশন। কোম্পানিটির তৈরি প্যারালাল ডেস্কটপগুলো ম্যাকের উইন্ডোজ ভার্চুয়ালাইজেশনের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় সমাধানগুলোর একটি। কোম্পানিটির প্রাথমিক উন্নয়ন ল্যাব ছিল রাশিয়ার মস্কো এবং নবোরস্কিতে।

এমন আরও অসংখ্য কোম্পানি রয়েছে যেগুলো রাশিয়া থেকে পরিচালিত হয়। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং এশিয়ায় কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন অনেক সফটওয়্যার কোম্পানি রয়েছে রাশিয়ার। সাবকন্ট্রাক্টিংয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে এমন অনেক ছোট কোম্পানিও রয়েছে।

সফটওয়্যার আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজের মতো অনেক মোবাইল অ্যাপও রাশিয়ায় উদ্ভূত। আন্তর্জাতিক পরিসরে সফটওয়্যার ও সেবা শিল্পে অনেক প্রযুক্তি কোম্পানিই আগে রাশিয়া এবং পূর্বাঞ্চলীয় ইউরোপীয় ডেভেলপারদের তৈরি প্রযুক্তি ব্যবহার করত। রাশিয়ার মোবাইল অ্যাপের বিশাল বাজার। রাশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মোবাইল ডিভাইস স্টোরগুলো থেকে এসব অ্যাপ একেবারেই উধাও হয়ে যাবে বলে ধারণা করছে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। এছাড়া রাশিয়ায় তৈরি অগণিত গেমস ও অ্যাপসও হারিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ২৭ ফেব্রুয়ারি  ২০২২ /এমএম

 


Array