Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ায় সোমবার সকাল পৌনে ৭টায় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিহত হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন মোল্লা (২৯)। মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী বাংলাবাজার পুরনো ঘাটে থেমে থাকা বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে ডুবে যায় স্পিডবোটটি।

পদ্মাপারে একা একা বসে কাঁদছিলেন নিহত শাহাদাত হোসেন মোল্লার বড়ভাই শহিদুল। তাকে সান্ত্বনা দেয়ার কেউ নেই। স্বজন হারানোর কান্না থামছেই না। কাঁঠালবাড়ীর বাংলাবাজার পুরনো ঘাটে বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে স্পিডবোট ডুবিতে তার ভাই শাহাদাত প্রাণ হারিয়েছেন।

তার বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার নিয়ামতকান্দী গ্রামে। আদম আলী মোল্লা ও রিজিয়া বেগম দম্পতির ছয় ছেলে ও চার মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন শাহাদাত। তিনি এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেন।

শাহাদাত হোসেন মোল্লার চাচাতো ভাই সাবেক মেম্বার দাদন মোল্লা (৬০) বলেন, এ বছর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেন শাহাদাত। চাকরির ইন্টারভিউ দিতে ঢাকা যান। ইন্টারভিউ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। চাকরি করা হলো না শাহাদাতের। লাশ হয়ে তাকে ফিরতে হলো। আমরা কী বলে সান্ত্বনা দেব ওর পরিবারকে?

কান্না করতে করতে তিনি বলেন, আদরের ছোটভাই শাহাদাত। লকডাউনের ভেতর ঢাকা থেকে না যেতে বলেছিলাম। তবুও গেছে। ভাই, তোকে হারালাম ভাই।

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে সোমবার সকাল পৌনে ৭টায় ৩২ জন যাত্রী নিয়ে স্পিডবোটটি ছেড়ে আসে। এ সময় মাদারীপুর কাঁঠালবাড়ী বাংলাবাজার পুরনো ঘাটে থেমে থাকা বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে ডুবে যায় স্পিডবোটটি। দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও কয়েকজন আহত হন।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ৪ মে ২০২১ /এমএম

 


Array