বাংলানিউজসিএ ডেস্ক :: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। গতবছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে দশমিক ৬৭ শতাংশ।
আর জিপিএ-৫ বেড়েছে ৩০ হাজার ৩০৫টি। মোটা দাগে চারটি কারণে ফলাফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এগারোটি শিক্ষা বোর্ডের ফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও রোববার এসএসসি ও সমমানের এ ফল প্রকাশ হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ফল প্রকাশ করায় অন্যান্য বছরের মতো এবার ফল পেতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের কোনো ভিড় ছিল না। স্কুল প্রাঙ্গণে ছিল না কৃতী শিক্ষার্থীদের উল্লাসের নৃত্য।
শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই এসএমএস এবং শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে ফল জানতে পেরেছে। ভালো ফল করার আনন্দ উদযাপন ছিল ঘরবন্দি। এছাড়া ফল জানার পর কেউ বা মোবাইল ফোনে আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক ও বন্ধুদের জানিয়েছে।
আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তুলে দিয়েছে। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ এবং পাসের হার বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে মূলত চারটি কারণ বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
এগুলো হচ্ছে- সব বিভাগের শিক্ষার্থীরই তূলনামূলক কঠিন বিষয়ে গত বছরের তুলনায় পাসের হার বেড়ে যাওয়া; মানবিকের শিক্ষার্থীদের ভালো করা; প্রশ্ন ফাঁস না হওয়া; নকলের সুযোগ কমে যাওয়া।
এছাড়া কেউ কেউ শিক্ষার্থীদের উদারভাবে নম্বর দেয়াকেও কারণ হিসেবে চিহ্নিত করতে চান। তবে এমন দাবি সঠিক নয় বলে বোর্ডের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
এদিকে ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতায়ও এবার সামাজিক দূরত্বের ছাপ ছিল। সাধারণত প্রধানমন্ত্রী ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রতি বছর রেওয়াজ অনুযায়ী শিক্ষামন্ত্রী বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। তবে এবার ছিল ব্যতিক্রম। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেনসহ বোর্ড চেয়ারম্যানরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ থেকে যুক্ত ছিলেন।
এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।
ফল প্রকাশ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাচ্ছি। যাতে করে এ করোনাভাইরাস দ্বারা শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত না হয়, কারণ এরা আমাদের ভবিষ্যৎ।
ভবিষ্যৎ তো আমরা ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। সেই কারণে আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো উন্মুক্ত করব না। আমরা দেখি এ অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে পারলে পর্যায়ক্রমে আমরা তখন উন্মুক্ত করব।
আর শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে কতদিন ক্লাস বন্ধ থাকবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে যখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে, তখন ক্ষতি কিভাবে পোষানো যায় সে চেষ্টা আমাদের থাকবে।
শিক্ষাবর্ষ বাড়ানো সম্ভব কিনা এগুলোও আমাদের বিবেচনায় আছে। বর্তমানে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস চলছে। বেতারের মাধ্যমেও ক্লাস প্রচারের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ২ সপ্তাহের সময় দিয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করা হবে।
এ সময় তিনি বলেন, বিগত ১০ বছর পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হলেও কোভিড-১৯ এর কারণে তা সম্ভব হয়নি। তিনি জিপিএ-৫ প্রাপ্তির উন্মাদনার পরিবর্তে সন্তানদের সঠিক জ্ঞান অর্জনের ব্যাপারে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার আহ্বান জানান।
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ শিক্ষার্থী। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের গড় হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আর গত বছর এ হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ।
এবার জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন। গত বছর জিপিএ-৫ ছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। ৪ বছরের মধ্যে এবারের পাসের হার সবচেয়ে ভালো। আর গত ৫ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক শিক্ষার্থী পেল জিপিএ-৫।
এর আগে ২০১৮ সালে দশটি শিক্ষা বোর্ডে পাসের ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ এবং ২০১৭ সালে ছিল ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
অপরদিকে ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯, ২০১৭ সালে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ এবং ২০১৬ সালে পেয়েছিল ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন। নবগঠিত ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে প্রথমবারের মতো এবার এসএসসির ফল তৈরি করা হয়।
এবার শতভাগ পাস করেছে ৩ হাজার ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আর একজন পাস করতে পারেনি এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৪টি। নয়টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ। তবে পাসের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। তাদের পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ।
বোর্ডওয়ারি পাসের হিসাবে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৩৪ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৬ হাজার ৪৭ জন; রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৬ হাজার ১৬৭ জন; কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ২২ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন; যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন; চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন; বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন; সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন; দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৩ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন; ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৮০ দশমিক ১৩ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৫১৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ ও জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮৮৫ জন। এবার বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৩৩৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৩১৮ জন। পাসের হার ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
গতবছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ এক লাফে ৩০ হাজার বেড়ে গেছে। এ বিষয়টিকে অনেকেই অস্বাভাবিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কেননা, ২০১৬ সাল থেকে জিপিএ-৫ বৃদ্ধির সংখ্যা সর্বোচ্চ ৫ হাজারের মধ্যে উঠানামা করেছে।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী হাসান কামাল বলেন, গতবছরের চেয়ে শিক্ষার্থীরা পরিশ্রম বেশি করেছে। অভিভাবক ও শিক্ষকরা বেশি যত্ন নিয়েছেন ছাত্রছাত্রীদের। সর্বোপরি সরকারি তদারকি ভালো ছিল। যে কারণে জিপিএ-৫ এবং পাসের হার বেড়েছে।
আর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষাটি হয়েছে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে। এর কোনো প্রভাব পরীক্ষায় পড়েনি। তাছাড়া এ ব্যাচটি আগেরগুলোর তুলনায় ভালো।
ফল বিশ্লেষণ : সংশ্লিষ্টরা জানান, পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভালো বা মন্দ করা অনেকটাই নির্ভর করে গণিত, ইংরেজি, আইসিটি এবং বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থ, রসায়ন- মানবিকে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় আর বিজনেস স্টাডিজে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে। গতবছরের তুলনায় এ ৮ বিষয়েই ফল তুলনামূলক ভালো।
কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বাদে বাকি ১০ শিক্ষা বোর্ডেই বাংলার মতো বিষয়ে পাসের সর্বনিম্ন হার ৯৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। সর্বোচ্চ ৯৯ দশমিক ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এ বিষয়ে সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড রাজশাহী বোর্ডে আর সর্বনিম্ন কারিগরি বোর্ডে ৯৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
ইংরেজির মতো বিষয়ে সর্বনিম্ন পাসের হার ৯১ দশমিক ৪৭ শতাংশ বরিশাল বোর্ডে। এ বিষয়ে বাকি বোর্ডগুলোর পাস হার এরচেয়ে বেশি। ইংরেজিতেও সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী পাস করেছে রাজশাহী বোর্ডে, ৯৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। ১১টি বোর্ডের মধ্যে গণিতে ময়মনসিংহ বোর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার ৮৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এ বিষয়েও সর্বোচ্চ পাসের হার যশোর বোর্ডে ৯৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আইসিটিতে মাদ্রাসা ও রাজশাহী বোর্ডে সর্বোচ্চসংখ্যক ৯৯ দশমিক ২২ শতাংশ শিক্ষার্থীই পাস করেছে।
এ বিষয়ে সর্বনিম্ন পাসের হার ৯৫ দশমিক ১৩ শতাংশ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে। সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে বিজ্ঞানের বিষয় পদার্থ ও রসায়নে সর্বোচ্চ পাস করেছে কুমিল্লায় (৯৯ দশমিক ৮৮) ও রাজশাহীতে (৯৯ দশমিক ৮১)। এই দুই বিষয়ে সর্বনিম্ন পাসের হার যথাক্রমে সিলেট (৯৭ দশমিক ৩০) ও চট্টগ্রামে (৯৪ দশমিক ০৪)।
মানবিকের বিষয় বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ে চট্টগ্রাম বোর্ডে সর্বোচ্চ ৯৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন সিলেট বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিষয়ভিত্তিক বোর্ডগুলোতে পাসের আরও বৃদ্ধির সুযোগ আছে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে পাসের হার বরং আরও বাড়বে।
গত বছরের তুলনায় এবার মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজের শিক্ষার্থীদের পাসের হার বেশি। গত বছর মানবিকে পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৩২ শতাংশ, এবার তা বেড়ে হয়েছে ৭৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
আর বিজনেস স্টাডিজে এবার পাসের হার ৮৪ দশমিক ৮০ আর গতবার ছিল ৮৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। বিজ্ঞানের পাসের হার বরং গতবছরের চেয়ে দশমিক ১৮ শতাংশ। এ বিভাগে এবার পাস ৯৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানবিকের শিক্ষার্থীদের তুলনামূলক ভালো ফল করার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক পাসের হারে।
শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, নকলের সুযোগ আর প্রশ্ন ফাঁসের নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে থাকে শিক্ষার্থীর ওপর। অনেকে প্রস্তুতিতে মনোযোগ না দিয়ে প্রশ্নের পেছনে ছোটে। কেউ কেউ নকলের আশায় থাকে। কিন্তু এবার এ ধরনের সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় মনোযোগ দিয়েছে। এ কারণেও পাসের হার বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তারা আরও বলেন, বরং পাসের হার আরও বাড়তে পারত।
এবার ময়মনসিংহ বোর্ড প্রথমবারের মতো ফলপ্রকাশ করেছে। বাকি ১০টির মধ্যে ৬টিতেই ফল গতবছরের চেয়ে খারাপ। মাত্র চারটিতে বেড়েছে পাসের হার। এ ৬টি ভালো করলে পাসের হার বরং আরও বেড়ে যেত।
তবে পাসের হার বৃদ্ধির জন্য কেউ কেউ উত্তরপত্র মূল্যায়নে উদারতাকে চিহ্নিত করতে চান। যদিও এ দাবি একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, খাতা দেখায় কোনো শিথিলতার ব্যাপার নেই। বরং আমাদের নির্দেশনা ছিল যথাযথভাবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে হবে।
বাংলানিউজসিএ/ঢাকা/ ০১ জুন ২০২০/এমএম





