Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: টানা ছয় মাসের যুদ্ধে ইরানকে আরও আর্থিকভাবে দুর্বল করার লক্ষ্যে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এবার সরাসরি ইরানি কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন। বরং ইউরেশিয়ার সমরাস্ত্র উৎপাদনকারী তুরস্কের আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তুরস্কভিত্তিক ‘গোল্ডেন গ্লোবাল ইয়াতিরিম ব্যাংকাসি অ্যানোনিম সিরকেটি’ নামের ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে মার্কিন অর্থ দপ্তর। এ পদক্ষেপ নেওয়ার এক সপ্তাহ আগে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা করেন।

মার্কিন অর্থ দপ্তরের অভিযোগ, তুরস্কের একটি ব্যাংক ও এর অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানকে চীন থেকে তুরস্কে তেল বিক্রির অর্থ সরিয়ে আনতে সহায়তা করেছে। পরে ওই অর্থ নগদ টাকা ও স্বর্ণে রূপান্তর করার সুযোগ ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের আরও অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি জেনেশুনেই ইরানের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংকিং সেবা দিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও ছিল, যেগুলোর বিরুদ্ধে ইরানের তেল বিক্রির অর্থ পাচারের অভিযোগে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘যদিও আমরা আশা করি আর কোনো ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রয়োজন হবে না। তবে তা শেষ পর্যন্ত নির্ভর করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কত দ্রুত বোধোদয় ঘটায় এবং এই হত্যাকারী ইরানি শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করা বন্ধ করে তার ওপর।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি তোমরা কারা, আমরা জানি তোমরা কোথায় আছো। আমরা আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ততক্ষণ পর্যন্ত পদক্ষেপ নিতে থাকব যতক্ষণ না এই ইরানি সাপের মাথা কবর দেই।’

এর আগে গত সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী একটি মিশরীয় ব্যাংককে লক্ষ্যবস্তু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরানকে তার অবশিষ্ট বৈশ্বিক বাণিজ্য অংশীদারদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে গত সপ্তাহে ঘোষিত ওই অভিযানটি ইতোমধ্যেই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে বলে জানায় বার্তাসংস্থা এপি।

প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬/এএ


Array