Menu

প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক ::‌ ইলেকট্রনিক নোজ বা বৈদ্যুতিক নাক-কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন রূপ। বনে আগুন লাগলেই টের পায় সবার আগে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই পাঠায় সতর্কবার্তা। মানুষের নাকের মতোই শুকতে পারে গন্ধ। তবে সবকিছুর গন্ধ শুকতে না পারলেও ভুল করে না আগুনের গন্ধ শুকতে। সৌরশক্তিচালিত যন্ত্রটি আগুনের গন্ধ শুকেই দাবানলের প্রথমদিকের অবস্থা শনাক্ত করতে পারে। যন্ত্রটি দুই বছর আগে তৈরি করা হয়।জার্মানির বার্লিন শহরের প্রযুক্তি কোম্পানি ড্রিয়াড নেটওয়ার্কস দ্বারা তৈরি করা হয়। সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসাবে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বনায়ন বিশেষজ্ঞ জুরগেন মুলার (৬৯)। এএফপি।

জার্মানের ব্র্যান্ডেবার্গের বনে যন্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। এটি দাবানলের প্রকোপে জার্মানের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল। নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার জন্য ইবারসওয়ার্ল্ডে বনে প্রতি ২.৫ একরে একটি করে যন্ত্র লাগানো হয়েছে। ড্রিয়াড নেটওয়ার্কস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিস ও স্পেনসহ ১০টি দেশ যন্ত্রটি নিয়ে পরীক্ষা করছে। কোম্পানি গত বছর ১০ হাজার যন্ত্র বিক্রি করেছে। তারা ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ১২০ মিলিয়ন ইনস্টল করার জন্য আশাবাদী।

ব্র্যান্ডেবার্গের বন অগ্নি সুরক্ষা অফিসার রাইমুন্ড এঙ্গের বলেন, ‘আমরা যত দ্রুত আগুন শনাক্ত করতে পারি, দমকলকর্মীরা তত দ্রুত ঘটনাস্থলে আসতে পারে।’ তাই তিনি যোগ করেন, ‘যন্ত্রটি প্রথম অবস্থায় দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া থেকে রক্ষা করার চাবিকাঠি।’

কাজ করে সেন্সরের মতো। আগুন ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেটা ক্লাউডের সাহায্যে মনিটরিং সিস্টেমে তা রিলে করে। যার মাধ্যমে ফায়ার কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়। এটি আগুনের গন্ধ শুকার সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু কাজে সহায়তা করতে পারে। মুলার বলেন, ‘বৈদ্যুতিক নাকের মতো দেখতে সেন্সরগুলো গাছের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। যা তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বায়ুচাপও নিরীক্ষণ করে।’ আরও বলেন, ‘আগুন লাগার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে এটি শনাক্ত করতে পারে, যা আগুন ছড়িয়ে যাওয়া রোধ করতে সহায়তা করতে পারে।’

প্রবাস বাংলা ভয়েস /ঢাকা/ ২৪ জুন ২০২৩ /এমএম


Array