প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: বৃহস্পতিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিবেশী ভারতের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছিল যা ২৩০ দিনে মধ্যে সর্বোচ্চ। শুক্রবার সেই সংখ্যা আরও ছাড়িয়ে ১১ হাজার ১০৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এই নিয়ে টানা ৫ দিন দেশে করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। এতে কোভিড-১৯ রোগে সক্রিয় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হাজার ৬২২ জনে দাঁড়ালো। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ উপাত্ত থেকে এ তথ্য জানা যায়। খবর এএফপি’র।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে কোভিড আক্রান্ত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৩১ হাজার ৬৪ জনে দাঁড়ালো।ভারতীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কোভিডে মৃত্যুর হার ১ দশমিক ১৯ শতাংশ। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। সুস্থতার হার স্বস্তিতে রাখলেও ঊর্ধ্বমুখী রেখচিত্র চিন্তায় রাখছে স্বাস্থ্য মন্ত্রককে।
কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মোট ৯২ দশমিক ৩৪ কোটি কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৯৫৮টি। দৈনিক সংক্রমণের হার ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। বর্তমানে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা মোট আক্রান্তের ০.১ শতাংশ। বুধবার দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ৭ হাজারা ৮৩০ জন। তবে বৃহস্পতিবার এক ধাক্কায় তা বেড়ে ১০ হাজারের ওপরে চলে যায়।
স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় হালনাগাদ করা তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসে দিল্লি ও রাজস্থান থেকে তিনজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এতে ছত্তিশগড় ও পাঞ্জাব থেকে দু’জন করে এবং হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওডিশা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু, উত্তরখন্ড ও উত্তর প্রদেশে একজন করে মারা যায়। এছাড়া কেরালাতে এ ভাইরাসে নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় অবশ্য আগেই জানিয়েছিলেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ারও কোন কারণ নেই। দেশ জুড়ে আগামী আট থেকে দশ দিনে ধাপে ধাপে সংক্রমণ বাড়লেও তার পর থেকে তা আবার কমতে শুরু করবে। স্বাস্থ্যকর্তাদেরও দাবি, আগামী মাসের শুরু থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠতে শুরু করবে।
করোনা আর অতিমারির পর্যায়ে নেই বলেও দাবি করেছেন দেশের অনেক চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্তা। তবে চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ মাস্ক পরা, হাত ধোয়া এবং করোনার পরীক্ষা করানোর মতো বিধির দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন। চিকিৎসকদের মতে, কোনও ভাবেই অসাবধান হওয়া যাবে না।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ১৪ এপ্রিল ২০২৩ /এমএম





