প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: করোনার টিকাগ্রহণকারী আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সীমান্ত খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, টানা ২৩ মাস পরে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য দেশটির সীমান্ত খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট স্কট মরিসন।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মরিসন বলেন,‘‘যদি কেউ দুই ডোজ করোনার টিকা গ্রহণ করেন, তাহলে তাকে ‘স্বাগতম’ জানানোর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।’’২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনা সংক্রমণের হার রুখতে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ওই সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সীমান্ত বন্ধ করলেও পরে প্রায় সব দেশই সীমান্ত খুলে দেয়। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া সীমান্ত খুলে দেয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার এ সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আকাশ পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ) স্বাগতম জানিয়েছে।গত রোববার দেশটির মন্ত্রিপরিষদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির এক সভায় আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সীমান্ত খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।এর আগে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারেন অ্যান্ডরুজ বলেছিলেন যে, ‘শুরুতে করোনার টিকাগ্রহণকারী এবং ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
‘‘আমরা সীমান্ত খুলে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করেছি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেলে সীমান্ত খোলার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করব।’’গত ১ নভেম্বর থেকে করোনার টিকাগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা দেশটির সীমান্তে ভ্রমণ করতে পারছেন। এছাড়া, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দক্ষ অভিবাসী এবং বিদেশি শিক্ষার্থীরাও সীমান্তে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ায় করোনায় সংক্রমণের হার নিম্নগতি হওয়ার কারণে কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন-ছুটি ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটির সরকার।চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত দেশটিতে ৯০ ভাগের বেশি মানুষ করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন এবং ৮৮ লাখেরও বেশি মানুষকে বোস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে।দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ থাকার কারণে দেশটির পর্যটন খাতে বিরাট ক্ষতি হয়েছে। সীমান্ত খুলে দেওয়ার ঘোষণায় পর্যটন খাতের সাথে জড়িত ব্যবসায়ীরা নতুনভাবে সবকিছু শুরুর পরিকল্পনা করছেন।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/ঢাকা/ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ /এমএম





