প্রবাস বাংলা ভয়েস ডেস্ক :: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি নতুন চুক্তিতে আসার জন্য ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ‘গাজা বোর্ড অব পিস’-এর এক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমঝোতায় না পৌঁছালে ‘গুরুতর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে ইরানকে।
ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস–এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সতর্ক করেছেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জবাবি হামলা চালানো হবে।
চিঠিতে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ চায় না; তবে তাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তা প্রতিহত করা হবে এবং এর দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে।
এদিকে মার্কিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে সীমিত পরিসরে হামলা চালাতে পারে। এতে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা বাহিনীর অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে, যাতে তেহরানকে পরমাণু চুক্তিতে রাজি করাতে চাপ সৃষ্টি করা যায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রাথমিক হামলার পরও যদি ওয়াশিংটনের শর্তে সমঝোতা না হয়, তাহলে বৃহত্তর সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে। সে ক্ষেত্রে লক্ষ্য হতে পারে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটানো।
পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষের কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
প্রবাস বাংলা ভয়েস/কানাডা/২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬/এএ





